Temperature - Physics Bengali
01-12-2018    78 times
Temperature Physics

উষ্ণতা কি?

উষ্ণতা বা তাপমাত্রা হল বস্তুর তাপীয় অবস্থা। এই অবস্থাই স্থির করে দেয় যে, একটি বস্তুকে অন্য কোন একটি বস্তুর সংস্পর্শে রাখলে, প্রথম বস্তুটি দ্বিতীয় বস্তুকে তাপ দেবে না দ্বিতীয় বস্তু থেকে তাপ গ্রহণ করবে।

তাপ ও উষ্ণতার পার্থক্য কি?

তাপ

উষ্ণতা

১। তাপ হল শক্তির একটি বিশেষ রূপ।

১। উষ্ণতা  হল তাপ শক্তির প্রকাশ। বস্তুর উষ্ণতা বলতে বস্তুটির তাপীয় অবস্থা বোঝায়।

২। কোন পদার্থে তাপ প্রয়োগ করলে উষ্ণতা বাড়ে, অর্থাৎ তাপ হল উষ্ণতার কারণ।

২। উষ্ণতা  হল তাপের ফল।

৩। কোন বস্তুর মধ্যস্থ মোট তাপের পরিমাণ, ঐ বস্তু থেকে অন্য বস্তুতে তাপ প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে না

৩। যে বস্তুর উষ্ণতা বেশী সেই বস্তু থেকে কম উষ্ণতার বস্তুর মধ্যে তাপ প্রবাহিত হয়। দুটি বস্তুর উষ্ণতা এক হলে তাপ প্রবাহ বন্ধ হয়। অর্থাৎ, বস্তুর উষ্ণতাই তাপ প্রবাহ নিয়ন্ত্রন করে।

৪) কোন বস্তুর তাপের পরিমাণ মাপা হয় ক্যালোরিমিটার যন্ত্রের সাহায্যে।

৪) কোন বস্তুর উষ্ণতার পরিমাণ মাপা হয় থার্মোমিটার যন্ত্রের সাহায্যে। 

৫)  S.I. পদ্ধতিতে তাপের একক হল জুল।

৫) S.I. পদ্ধতিতে উষ্ণতার একক হল কেলভিন।

Tutorial at home

থার্মোমিটার কি?

যে যন্ত্রের সাহায্যে কোন বস্তু উষ্ণতা মাপা যায়, তাকে থার্মোমিটার বলে।

যে থার্মোমেটারে পারদের আয়তন প্রসারণ দ্বারা উষ্ণতা মাপা হয় তাকে পারদ থার্মোমেটার বলে।

Clinical Thermometer
Clinical Thermometer

পারদ থার্মোমেটারের সীমাবদ্ধতা

পারদের হিমাঙ্ক ও স্ফুটনাঙ্ক যথাক্রমে -39oC এবং 357oC। তাই এর সাহায্যে -39oC এর নিচে বা 357oC এর ওপরের তাপমাত্রা দ্বারা মাপা যায় না।

নিম্নস্থিরাঙ্ক কাকে বলে?

প্রমাণ চাপে যে উষ্ণতায় বিশুদ্ধ বরফ গলে জল হয় অথবা জল জমে বরফ হয়, সেই উষ্ণতাকে থার্মোমিটারের নিম্নস্থিরাঙ্ক বলে।

ঊর্ধবস্থিরাঙ্ক কাকে বলে?

প্রমাণ চাপে যে উষ্ণতায় বিশুদ্ধ জল ফুটে বাষ্পে অথবা বাষ্প ঠাণ্ডা হয়ে জলে পরিণত হয়, সেই উষ্ণতাকে থার্মোমিটারের উর্ধবস্থিরাঙ্ক বলে।

Tutorial at home

উষ্ণতা মাপার বিভিন্ন স্কেল

বস্তুর উষ্ণতা মাপার জন্য সাধারণত দুই রকমের স্কেল ব্যবহার করা হয়।

  1. সেন্টিগ্রেড বা সেলসিয়াস স্কেলঃ এই স্কেলে বরফের গলনাঙ্ককে 0o(নিম্নস্থিরাঙ্ক) এবং জলের স্ফুটনাঙ্ককে (প্রমাণ চাপে) 100O (উর্ধবস্থিরাঙ্ক) ধরে মাঝের স্থানকে সম্মান 100 ভাগে ভাগ করা হ্য়। প্রত্যেক ভাগকে এক ডিগ্রী সেলসিয়াস (1oC) বলা হয়।
  2. ফারেনহাইট স্কেলঃ এই স্কেলে বরফের গলনাঙ্ককে 32o(নিম্নস্থিরাঙ্ক) এবং জলের স্ফুটনাঙ্ককে (প্রমাণ চাপে) 212O (উর্ধবস্থিরাঙ্ক) ধরে মাঝের স্থানকে সম্মান 180 ভাগে ভাগ করা হ্য়। প্রত্যেক ভাগকে এক ডিগ্রী (1oF) ফারেনহাইট বলা হয়।

 

সেন্টিগ্রেড বা সেলসিয়াস স্কেল ও ফারেনহাইট স্কেলের সম্পর্ক

$${c \over 5} = {F-32 \over 9} = {K-273 \over 5}$$

সেন্টিগ্রেড  স্কেল,  ফারেনহাইট স্কেল ও কেলভিন স্কেলের সম্পর্ক

$${c \over 5} = {F-32 \over 9} = {K-273 \over 5}$$

40OC কে  OF ফারেনহাইট স্কেলে প্রকাশ কর।

$${C \over 5} = {F-32 \over 9}$$

এখানে,C=40

$${40 \over 5} = {F-32 \over 9}$$

$${72} = {F-32}$$ $${F = 104}$$

68OF কে  OK কেলভিন স্কেলে প্রকাশ কর।

$${F-32 \over 9} = {K-273 \over 5}$$

এখানে, F=68

$${68-32 \over 9} = {K-273 \over 5}$$

$${36 \over 9} = {K-273 \over 5}$$

$${K-273} = {20}$$

$${K} = {293}$$

softetechnologies
    Author Details
Arnab De
I have over 16 years of experience working as an IT professional, ranging from teaching at my own institute to being a computer faculty at different leading institute across Kolkata. I also work as a web developer and designer, having worked for renowned companies and brand. Through tutorialathome, I wish to share my years of knowledge with the readers.
    Related Post
  Query About the post